আবারও তেহরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইসরায়েলি বিমান হামলা

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৮

তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘আইআরআইবি’-র সদর দপ্তর ও এভিন কারাগারসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন অংশে কয়েক ডজন বোমা ফেলে এসব ভবন মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, আইআরআইবি ভবনটি বেসামরিক প্রচারণার আড়ালে মূলত ইরানের ‘সন্ত্রাসী শাসনের যোগাযোগ কেন্দ্র’ এবং আইআরজিসি-র সামরিক কার্যক্রমের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। হামলার আগে আইডিএফ তাদের আরবি ভাষার মুখপাত্রের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) তেহরানের এভিন এলাকা এবং রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারকেন্দ্রের আশপাশের বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

এদিকে ইরানের রাজধানীর পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের ৩০টি গ্রামেও একযোগে সরে যাওয়ার নির্দেশ জারি করেছে ইসরায়েল। লেবাননের টায়ার, মারজায়ুন ও বিনত জবেইলসহ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে আইডিএফ।

আল-জাজিরা অ্যারাবিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানজুড়ে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিশেষ করে একটি টিভি নেটওয়ার্ক এবং কেন্দ্রীয় কারাগার কমপ্লেক্সের কাছে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুন মাসের লড়াইয়েও এই আইআরআইবি ভবনটি ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।

ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এই অবকাঠামোগুলোকে ব্যবহার করে ইরান তাদের সামরিক তৎপরতা এগিয়ে নিচ্ছিল। তবে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত বর্তমানে নতুন এবং ভয়াবহ এক মাত্রায় পৌঁছেছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

ইত্তেফাক/এনএন