ইরানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে পর্যবেক্ষণে ফিফা

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৪:২০

জুনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে পর্দা উঠবে ফুটবল বিশ্বকাপের। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে ফিফা, আয়োজক দেশগুলো এবং টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া দলগুলো। নিষেধাজ্ঞা থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে পারবে কি না ইরান, তা নিয়ে আগে থেকেই শঙ্কা ছিল। তবে নতুন করে শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলে যৌথ হামলার পর আবারও আলোচনায় ইরানের বিশ্বকাপ খেলার ইস্যু।

এশিয়া অঞ্চল থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের লড়াই গ্রুপ 'এ' থেকে বিশ্বকাপ খেলার টিকিটি অর্জন করছিল ইরান। সবশেষ কাতার বিশ্বকাপও খেলেছিল দেশটি। তবে চলামন যুদ্ধের কারণে ইরানের বিশ্বকাপ খেলার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায় না ফিফা। পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে চায় বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। 

ইরানের বিশ্বকাপ খেলার প্রসঙ্গে শনিবার ফিফার বার্ষিক সাধারণ সভায় সংস্থাটির মহাসচিব ম্যাচিয়াস গ্রাফস্ট্রম বলেছেন, 'আমি আজ সকালে ইরান সম্পর্কে খবরটি আপনার মতোই পড়েছি। আজ আমাদের একটি সভা হয়েছে এবং বিস্তারিত মন্তব্য করার সময় নয় এটি। তবে আমরা বিশ্ব জুড়ে সমস্ত বিষয়ের পর্যবেক্ষণ করব।'

এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপ নিয়ে তিনি বলেন, 'আমাদের ওয়াশিংটনে ফাইনাল ড্র হয়েছিল যেখানে সমস্ত দল অংশগ্রহণ করেছিল, এবং আমাদের লক্ষ্য হলো একটি নিরাপদ বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা। যেখানে সব দলগুলো অংশগ্রহণ করবে। আমরা সর্বদা আয়োজক তিন দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাব। যেমনটি আমরা সর্বদা করি। আশা করি, সবাই নিরাপদ থাকবে।'

বিশ্বকাপে 'জি' গ্রুপে ইরান। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে খেলার কথা ইরানের। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ইরান বিশ্বকাপ খেলবে কি না, সেই বিষয়ে এখনো নিশ্চিত না। এই বিষয়ে রোববার ইরান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহদি তাজ বলেছেন, 'এই সিদ্ধান্ত ক্রীড়া কর্মকর্তাদের নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এই বিশ্বকাপে ইরানের খেলা কঠিন হয়ে পড়ছে।' 

তবে শেষ পর্যন্ত যদি ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ না নেয়, অথবা তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া না হয় তাহলে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাত। কারণ কোনো দল যদি বিশ্বকাপ থেকে বের হয়, তাদের জায়গা নিবে কোয়ালিফায়ার রুটের সরাসরি রানার্সআপ দল। এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ইত্তেফাক/জেডএইচ