দেশের শান্তি, সংহতি ও সমৃদ্ধি কামনায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল আয়োজিত গণইফতারে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। ইফতারের আগ মূহুর্তে অনেক শিক্ষার্থী ইফতার না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিশ্বদ্যিালয়ের গোল চত্বর এলাকায় আয়োজিত গণইফতারে এ ঘটনা ঘটেছে।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, এই গণইফতার প্রোগ্রামকে সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদল ৫৪ সদস্য বিশিষ্ট আয়োজক কমিটি গঠন করে গত মঙ্গলবার। এত বড় ব্যবস্থাপনা কমিটি থাকার পরও কেন অব্যবস্থাপনা হলো এই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ফেসবুক গ্রুপে মোহাম্মদ এনামুল হাসান নামে এক শিক্ষার্থী লিখেছেন ‘ক্যাপাসিটি না থাকলে গণইফতার মারাবেন না।’
এই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘ইফতার ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট খুলে সেখানে কোর্স করানোর দরকার প্রিয় ভাইদের।’
ইব্রাহিম আধাম সৌরভ নামে এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘এভাবে রোজাদারদের অপমান না করলেও পারতেন।’
ইফতারের আগে শাবিপ্রবি ছাত্রদলের সহসভাপতি সৈয়দ উসামা ইব্রাহিম দাবি করেন, আমরা মোট ১৫০০ জনের জন্য আয়োজন রেখেছি। নারী ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা ছিল।
অব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শাবিপ্রবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইফতার আয়োজক কমিটির সদস্য আদনান আহমেদ মোহন বলেন, আমাদের প্রায় ১৫০০ জনের জন্য ইফতারের আয়োজন ছিল। তবে শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্টস্থানে বসে ইফতার গ্রহণ না করায় খাবার বিতরণে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ফলে অনেকেই একাধিক প্যাকেট নিয়ে যায় আবার কেউ কেউ খাবার পায়নি। আমাদের ধারণা ১৫০ জনের মতো শিক্ষার্থী খাবার পায়নি। তবে আমরা বর্তমানে সবুজ বাংলায় যারা ইফতার পায়নি তাদের জন্য নতুন করে খাবারের ব্যবস্থা করছি।
ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান বলেন, আমরা ১৫০০ জনের মতো শিক্ষার্থীর ইফতারের আয়োজন করেছি। এর চেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী চলে আসায় আমাদের সংকুলান করতে সমস্যা হয়েছে। এছাড়া অনেকে একাধিক প্যাকেট নিয়ে যাওয়ায় একটু বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে।

