আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ডাকাতি, টাকা-স্বর্ণালংকার লুট

আপডেট : ১৫ মার্চ ২০২৬, ২০:১৫

চাঁদপুরের কচুয়ার খিলমেহের গ্রামের শিকারি নামে একটি বাড়িতে ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য’ পরিচয় দিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) মুখোশধারী একদল ডাকাত রাত ১টায় দালানের জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে এবং পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে। পরে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ সাড়ে চার লাখ টাকার বেশি, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন লুট করে নিয়ে যায়।

ডাকাতদের হামলায় আহতরা হলেন- গৃহকর্তা হারুন শিকারী (৬৫), তার স্ত্রী মোরশেদা বেগম (৫৫) এবং পুত্রবধূ তুলি বেগম (২৫)। এছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যদেরও বেঁধে রাখা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন পুত্রবধূ তুলী আক্তার, মুন্নী আক্তার এবং নাতনি হামিদা আক্তার। ডাকাতরা তাদের মারধর করে ঘরের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৪ মার্চ) দিনগত রাত ১টার দিকে ১৫-১৭ জনের একটি মুখোশধারী ডাকাত দল মো. হারুন শিকারির বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। বাড়ির লোকেরা টের পেলে তাদেরকে ডাকাতরা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোক বলে পরিচয় দেয়। এরপর অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং প্রচণ্ড মারধর করে। ঘরের আলমারি ও ড্রয়ার ভেঙে নগদ ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং ৩টি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় তারা।

ভুক্তভোগী হারুন শিকারী ও তার স্ত্রী মোরশিদা বেগম জানান, হঠাৎ করে ঘরে ঢুকে ডাকাতরা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোক পরিচয় দেয়। পরে সবাইকে বেঁধে রেখে আলমারি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। ডাকাতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইত্তেফাক/এমএসআর/এএম