ভাঙ্গায় ঈদের নামাজ শেষে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৩০

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২৬, ১৬:০২

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নে শনিবার সকালে ঈদের নামাজ শেষে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন গ্রামবাসী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।

সকাল সাড়ে নয়টা থেকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ টানা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে। খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, ধারালো সরঞ্জাম ও ইট-পাটকেলের আঘাতে অনেকে গুরুতর আহত হন। পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে ওবায়দুর নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, গোপীনাথপুর গ্রামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর পক্ষের সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে রাতের বেলায় প্রথম সংঘর্ষ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ঈদের নামাজ শেষে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও এক নারীর সঙ্গে টিকটক ভিডিও তৈরি নিয়ে উভয় পক্ষ আবারও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও জানান, সংঘর্ষ চলাকালে একাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে তিনি সঙ্গীয় ফোর্স ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল)কে সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্রামটির বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এএইচপি