সংসদে রুমিন ফারহানা

আমি ৩০০ সংসদ সদস্যের সামনে কথা বলছি, ৩০০ হামের রোগীর সামনে না

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:৪০

জাতীয় সংসদে হামে শিশুমৃত্যু, টিকার ঘাটতি, স্বাস্থ্যকর্মীদের বকেয়া বেতন এবং মাঠপর্যায়ের হাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগ জানতে চেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১ দিনের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ৭১ বিধির ওপর আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

সম্পূরক প্রশ্ন করতে গিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, রোগীকে ভয় দেখাতে হয় না, সাহস দিতে হয়। আমি তো জানতাম আমি ৩০০ জন সংসদ সদস্যের সামনে কথা বলছি। ৩০০ জন হামের রোগীর সামনে তো স্পিকার আমি কথা বলছি না। আর সংসদে আমি যদি স্বার্থের প্রশ্নে বলতে না পারি।

রুমিন ফারহানা বলেন, এই সংসদে যারা বসেছেন আপনারা কোনো না কোনো সন্তানের পিতা এবং বলা হয় সন্তানের পিতার কাঁধে সন্তানের লাশের চেয়ে আর ভারী কিছু হতে পারে না। আমরা যে পরিসংখ্যানগুলো দিচ্ছি, এই শিশু কোনো না কোনো পিতার কাঁধে কবরে গেছে। সুতরাং এটাকে কেবল পরিসংখ্যান হিসেবে না দেখে একটা মায়ের কান্না, একটা পিতার আর্তনাদ, একটা পরিবারের ধস এবং চিরজীবনের জন্য একটা পরিবারে যে শোক নেমে আসে সেটার দিকে আমরা একটু তাকাই। 

রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আল্লাহর রহমতে সন্তানের পিতা আমরা সবাই। কাজেই আমাদের দরদ আছে। সন্তান মারা গেলে পিতার কাঁধে যে এটার ভার কত বেশি, এটাও কিন্তু জানি। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন তারা যেটা নিশ্চিত করেছে আমাদের ৪১ জন হাম রোগে মারা গেছে। আমি কিন্তু আপনাকে (রুমিন ফারহানা) সংসদে বলতে নিষেধ করিনি। বলেছি প্যানিক না সৃষ্টি করার জন্য। আমরা কিন্তু ফাইট করছি এটার বিরুদ্ধে। 

তার আগে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হামের রোগীদের ভয় দেখাতে হয় না। তাদের ভয় দেখালে আতঙ্ক সৃষ্টি হবে। 

 

 
ইত্তেফাক/এনএ