গ্যাস স্বল্পতার কারণে উৎপাদিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেক: বিদ্যুৎ বিভাগ

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:১১

জ্বালানি স্বল্পতার কারণে সক্ষমতার পুরোটা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরবরাহ করতে না পারায় চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। তাই গ্রাম ও শহরের মধ্যে লোডশেডিংয়ের ক্ষেত্রে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও গ্যাসের অভাবে অর্ধেকের মতো উৎপাদন হচ্ছে জানিয়ে করে উম্মে রেহানা জানান, বুধবার দেশে বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ১৫৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ হয়েছে ১৩ হাজার মেগাওয়াটের মতো। ঘাটতি ছিল ২ হাজার মেগাওয়াট।

এর আগে, বুধবার দুপুরে চালুর ১১ দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও ওই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, এদিন দুই ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ ১৪৯৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে দুপুর ২টার দিকে উৎপাদন এক লাফে কমে প্রায় সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও আদানির দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর ভারতে আদানির পাওয়ারসের বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের বিয়ারিং থেকে সতর্কসংকেত পাওয়া যায়। সাউন্ড শুনে এটি শনাক্ত করেন কেন্দ্রটির প্রকৌশলীরা। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির একটি ইউনিট থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। মেরামতে তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে।


 

 

 
ইত্তেফাক/এনটিএম