মুন্সীগঞ্জ শহরে পূর্ব বিরোধের জেরে এক যুবকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মাথা থেঁতলে দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিহ্নিত মাদক কারবারি বাবু মিজি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই যুবককে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের রনছ পারুলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার আলমগীর মন্ডল (৩৫) শহরের পশ্চিম দেওভোগ এলাকার আশক আলী মন্ডলের ছেলে। এদিকে অভিযুক্ত বাবু মিজি শহরের বৈখর এলাকার মৃত অফিজ উদ্দিনের ছেলে।
আহত যুবকের ভাই লালন মন্ডল জানান, এর আগেও তার ভাই আলমগীরকে কুপিয়ে শহরের বৈখর এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি বাবু মিজি। ওই হামলার ঘটনায় বাবুর বিরুদ্ধে একটি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। সেই মামলা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইকে একা পেয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে। এ সময় তার ভাইয়ের দুই পায়ের রগ কেটে দেয় ও পিটিয়ে মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়।
আহত আলমগীর জানান, বাবুর নেতৃত্বে ৪-৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ তাকে ধরে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে। পরে মাথায় এলেপাতাড়ি আঘাত করে। একপর্যায়ে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে দুই পায়ের রগ কেটে দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। বাবু জোড়া খুনসহ ডজন খানেক মামলার আসামি বলে দাবি করেন তিনি।
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাগিব এহসান জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুব সম্ভবত তার দুই পায়েরই রগ কেটে গেছে। এছাড়া মাথায় কোপের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
