৩৬ স্টার্টআপে ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে সরকার: সংসদে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

আপডেট : ০৯ জুন ২০২৬, ২১:৩৮

সরকারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে। তবে যাচাই-বাছাই ও বিনিয়োগের শর্ত নিয়ে মতানৈক্যের কারণে ১৯টি স্টার্টআপের বিনিয়োগপ্রক্রিয়া বাতিল হয়েছে। চূড়ান্তভাবে ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ তথ্য জানান। বিকাল তিনটায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।

ওই সংসদ সদস্য জানতে চান, দেশে কতটি নতুন স্টার্টআপকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং কয়টিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে, তাদের অগ্রগতি কী। ভবিষ্যতে স্টার্টআপকে আরও উৎসাহ দেওয়া এবং সম্প্রসারণের জন্য সুদবিহীন বা সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা যায় কি না।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে। তবে অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আইনি যাচাই-বাছাই (লিগ্যাল ডিউ ডিলিজেন্স) ও বিনিয়োগের শর্ত নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়ায় ৫৫টির মধ্যে ১৯টি স্টার্টআপের বিনিয়োগ বিভিন্ন পর্যায়ে অসংগতি ও বিনিয়োগের শর্তে মতানৈক্যের কারণে বাতিল করা হয়েছে।’

মন্ত্রী জানান, চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিনিয়োগ পাওয়া উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে চালডাল লিমিটেড, টেন মিনিট স্কুল লিমিটেড, সেবা প্ল্যাটফর্ম লিমিটেড ও ট্যুর বুকিং বাংলাদেশ লিমিটেড।

স্টার্টআপ খাতের অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তাদের বিকাশে সরকারের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সম্ভাবনাময় নতুন উদ্যোক্তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও বিনিয়োগ কার্যক্রমও চলমান।’

ইত্তেফাক/এসএইচ