দেশে আসছে এসএএম ইঞ্জিন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনে পাইলট প্রকল্পের পরিকল্পনা

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৬, ১৪:১২

বাংলাদেশে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদন ও সামাজিক ব্যবসাভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়নে সাবতে অ্যাডভান্সড মোটর (এসএএম) প্রযুক্তি নিয়ে নতুন উদ্যোগ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে ড. সাবতে কনসাল্টিং জিএমবিএইচ, গ্রামীণ হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং উইকিইউ ইনস্টিটিউট জিএমবিএইচ যৌথভাবে কাজ করছে।

সোমবার (১৫ জুন) ইউনূস সেন্টার থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ড. সাবতে কনসাল্টিং জিএমবিএইচ, গ্রামীণ হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং উইকিইউ ইনস্টিটিউট জিএমবিএইচ-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে বাংলাদেশে এসএএম প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনকেন্দ্রিক একটি সামাজিক ব্যবসা যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, অংশীদাররা এসএএম প্রযুক্তি এবং সোলইন (CLEEN – Clean Ethanol Logistics Improving Nature Environment) ধারণা উভয়ই পর্যালোচনা করছেন। প্রযুক্তিগত ও বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা, কাঁচামালের উৎস, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, বাজার পরিস্থিতি, পরিবেশগত প্রভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থায়িত্বসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে এবং পরিসংখ্যানগতভাবে অর্থবহ ফলাফল পাওয়ার মতো যথেষ্ট পরিসরে অন্তত ২০০টি এসএএম ইউনিটের একটি পাইলট প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের বিষয়ে অংশীদাররা সম্মত হয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসএএম এমন একটি জ্বালানি-নিরপেক্ষ প্রযুক্তি, যা বিভিন্ন ধরনের প্রয়োগক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি, বিদ্যুৎ এবং কুলিং এনার্জি উৎপাদন করতে সক্ষম। ফলে উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর জ্বালানি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।

আরও বলা হয়, অংশীদারদের বিশ্বাস, এই উদ্যোগ সফলভাবে যাচাই ও বাস্তবায়িত হলে তা পরিচ্ছন্ন জ্বালানি সমাধান সম্প্রসারণ, স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যান্য দেশে পুনরাবৃত্তিযোগ্য সামাজিক ব্যবসা মডেল প্রদর্শনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে, এসএএম প্রযুক্তির পেটেন্ট ও লাইসেন্স ব্যবস্থাপনার জন্য ড. সাবতে কনসাল্টিং এবং নোবেলজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে জার্মানভিত্তিক ‘সাবতে-ইউনূস ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফাউন্ডেশনটি বাংলাদেশের সামাজিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে প্রযুক্তিটির লাইসেন্স প্রদান করবে, যাতে স্থানীয়ভাবে এসএএম ইঞ্জিন উৎপাদন ও বাজারজাত করা সম্ভব হয়।

 

ইত্তেফাক/আরএইচ