টরন্টোতে গান, আবৃত্তি, নাচ, বনভোজন ও মেলার নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জমে উঠেছে প্রবাসী সাংস্কৃতিক অঙ্গন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ কার্নিভাল, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফোরামের পিকনিক এবং আবৃত্তি সম্প্রীতি সন্ধ্যা।
গত ১৩ ও ১৪ জুন টরন্টোর ওয়ার্ডেন স্টেশন নর্থ পার্কিং লটে অনুষ্ঠিত হয় দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ কার্নিভাল’। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন।
আয়োজক রাসেল রহমান জানান, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। এবারের কার্নিভালে শতাধিক স্টল ছিল। পাশাপাশি বাংলাদেশ, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। ‘বাংলাদেশ র্যালি’সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। মেলার প্রথম দিন টরন্টো সিটির মেয়র ওলিভিয়া চাও উপস্থিত হয়ে আয়োজকদের শুভেচ্ছা জানান।
একই সময়ে টরন্টোর থমসন পার্কে অনুষ্ঠিত হয় ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফোরাম পিকনিক-২০২৬’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবাসী সাবেক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পিকনিকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়া এ আয়োজনে ভিন্নমাত্রা যোগ করে এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।
এদিকে ১৩ জুন টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হয় ‘আবৃত্তি সম্প্রীতি সন্ধ্যা’। এতে অন্যস্বর, আলোকধারা, মিলি, কণ্ঠচিত্রণ, ললিতকণ্ঠ, উত্তরের জানালা এবং আয়োজক সংগঠন উচ্চারণসহ ছয়টি আবৃত্তি সংগঠনের শিল্পীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের স্বনামধন্য আবৃত্তিশিল্পী, মডেল ও উপস্থাপক শারমিন লাকী। তাঁর আবৃত্তি ও আলাপচারিতা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
আয়োজকদের মতে, টরন্টোর এসব সাংস্কৃতিক আয়োজন প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করছে। একই সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করতেও ভূমিকা রাখছে।

