বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নেমেই মেসির তাণ্ডবে লন্ডভন্ড আলজেরিয়া। হ্যাটট্রিক-স্ট্যান্ডিং ওভেশন, রেকর্ড ব্রেকিং কি নেই এই ম্যাচে। তবে, ম্যাচের একটি মুহূর্ত বেশ আলোচনায় এখন। কেন মহাতারকা কাঁদলেন?
কেন তিনি কেঁদেছিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তরও দেন ম্যাচ-পরবর্তী সাক্ষাৎকারে।
পেয়ার অব দ্য ম্যাচ হয়ে মাঠে কান্নার প্রসঙ্গে মহাতারকা লিও বললেন, ‘আমি ফুটবল খেলতে ভালোবাসি, ছোটবেলা থেকেই এটা আমার আবেগ। আর যখন আমি ফর্মে থাকি, তখন মাঠের বুকে নিজের উজাড় করে সবকিছু দিয়ে চেষ্টা করি।’
নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি আমার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। আমি এখনও অনুভব করছি যে আমি বেশ ভালো ফর্মে আছি। ভাগ্যবশত, আমি ভালো করছি এবং আজ আমরা একটি কঠিন ম্যাচে জয়লাভ করতে পেরেছি। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচটি জয় দিয়ে শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিশ্বকাপে এটি কখনোই সহজ নয়।’
প্রতিপক্ষ আলজেরিয়ার প্রশংসা করে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ‘প্রথম কাউন্টার বা প্রথমার্ধে আমরা কিছুটা সংগ্রাম করেছি, কিন্তু সৌভাগ্যবশত আমরা তা কাটিয়ে উঠেছি এবং দ্বিতীয়ার্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবধান তৈরি করতে পেরেছি।’
সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মেসি বলেন, ‘প্রথমেই আমি তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, কারণ, তারা আবারও প্রমাণ করেছে যে আর্জেন্টিনা একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত। তারা আবারও স্টেডিয়াম ভরিয়ে তুলেছে। আমি জানি না সেখানে ৮০ হাজার দর্শক ছিল নাকি তার চেয়েও বেশি। তারা যে পরিমাণ প্রচেষ্টা এবং ত্যাগ স্বীকার করে, তার জন্য আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। টুর্নামেন্ট যেখানেই হোক না কেন, তারা সবসময় পাশে থাকে সেটা কাতারে হোক বা এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। আমি জানি সমর্থকরা বিশাল ত্যাগ স্বীকার করে এখানে আসে।’
শেষে মেসি বলেন, ‘আমি আশা করি তারা এই মুহূর্ত উপভোগ করছে। তাদের সমর্থনের কারণেই আমরা অনেক সময় নিজেদের মাঠে খেলার অনুভূতি পাই। এই অনুভূতি আমাদের জন্য বড় একটি বাড়তি শক্তি হিসেবে কাজ করে।’

