ঢাকায় কোন রুটে কোন কোম্পানির বাস চলবে তা নিয়ে কাজ চলছে: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

আপডেট : ১৮ জুন ২০২৬, ১৮:০৫

রাজধানী ঢাকার রাস্তায় কোন রুটে কোন কোম্পানির বাস চলাচল করবে, তা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী জানান, ঢাকায় বাস চলাচলের শৃঙ্খলা আনতে সরকার কাজ করছে। এ জন্য প্রতিটি রুটের বাসমালিকদের নিয়ে কোম্পানি গঠন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বিএসআরএফ সংলাপে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এই সংলাপের আয়োজন করে। 

শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘ঢাকার রাস্তায় একই রং, নির্দিষ্ট মান ও ফিটনেস বজায় রেখে সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করে তবেই বাস চালাতে হবে। সে ক্ষেত্রে সরকার ইলেকট্রিক যানকে উৎসাহিত করছে। এ কাজ অনেক দূর এগিয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা শহর থেকে চারটি বাস টার্মিনাল সরিয়ে নিতে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগতে পারে।’

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘গাবতলী বাস টার্মিনাল চলে যাবে হেমায়েতপুরে। মহাখালী বাস টার্মিনাল যাবে উত্তরার আবদুল্লাহপুরের কাছাকাছি জায়গায়। সেখানে ৫০ বিঘা জায়গা অধিগ্রহণের কাজ চলছে। অন্যদিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাবে কাঁচপুরে। ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল চলে যাবে কেরানীগঞ্জে।’

ঢাকার বাস কাউন্টারগুলোকে একটা কাঠামোর আওতায় আনার কাজ চলছে বলে জানান শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘কলাবাগান, কল্যাণপুরসহ যেসব জায়গায় বাস কাউন্টারকে কেন্দ্র করে টেম্পরারি টার্মিনালের মতো হয়েছে, তারা কাউন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেবে। কাউন্টারের সামনে বাস এনে যাত্রী ওঠানামা করাতে পারবে না। সরকার এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পদ্মা রেল লিংক সেতুর নিচে থেকে মাটি সরানো নির্মাণকাজেরই অংশ। কোনো গোষ্ঠী মাটি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে, এমন কোনো বিষয় নেই। ঠিকাদারের সাথে চুক্তি ছিল মাটি সরাবে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেটি হয়নি। ওই মাটি এখন সরানো হচ্ছে। এর ফলে মূল স্থাপনা ঝুঁকিতে পড়বে না।’

রেলওয়ের জন্য আগামী মাসে ১৫০টি আধুনিক বগি কিনতে যাচ্ছে সরকার—এ কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রেলের উন্নয়নকে প্রধান্য দিয়ে সব প্রকল্পে সম্মতি দিয়েছেন।’

ইত্তেফাক/ আরএইচ