জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও অংশগ্রহণকারী গেজেটভুক্ত ১৪ হাজার ৩৬৯ জন জুলাই যোদ্ধার মধ্যে ১৩ হাজার ৩৪৪ জনকে মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে গুরুতর আহত ১৫২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হয়েছে, যাদের মধ্যে ৫০ জন এখনো বিদেশে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য রোকেয়া বেগমের প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
লিখিত উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান ও ভাতার বিষয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। আহত যোদ্ধাদের সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহতদের মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হচ্ছে।’
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ১৫২ জন জুলাই যোদ্ধাকে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক ও রাশিয়ায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০২ জন চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন এবং বর্তমানে ৫০ জন বিদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মন্ত্রী আরও জানান, জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ এবং পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ৩ হাজার ২৪১ জন আগ্রহীর তথ্যভান্ডার তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের জন্য ১ হাজার ৯৩৭ জনের তালিকা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
ভাতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘১৪ হাজার ৩৬৯ জন গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধার মধ্যে ১৩ হাজার ৩৪৪ জনের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে শ্রেণিভিত্তিক মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর মধ্যে 'ক' শ্রেণির যোদ্ধারা মাসে ২০ হাজার টাকা, 'খ' শ্রেণির যোদ্ধারা ১৫ হাজার টাকা এবং 'গ' শ্রেণির যোদ্ধারা ১০ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন। অবশিষ্টদের ভাতা প্রদানের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

