দেশীয় মোটরযান শিল্পের বিকাশ এবং পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার উৎসাহিত করতে ব্যক্তিগত গাড়ি ঋণের (অটো লোন) শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবেন। তবে ইলেকট্রিক, হাইব্রিড এবং দেশীয়ভাবে উৎপাদিত যানবাহন কেনার জন্য ঋণের সর্বোচ্চ সীমা বাড়িয়ে ৮০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক গাজী মো. মাহফুজুল ইসলামের সই করা চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের সময়সীমা এখন থেকে সর্বোচ্চ ৮ বছর পর্যন্ত নির্ধারণ করা যাবে।
চিঠিতে বলা হয়, দেশীয় গাড়ি উৎপাদন শিল্পের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের রেগুলেশন-১৬ পরিবর্তন করা হয়েছে।
গাড়ি ঋণ সংক্রান্ত এই রেগুলেশন পরিবর্তন করে বলা হয়েছে, সাধারণ ক্ষেত্রে একজন গ্রাহক বীমাসহ সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত গাড়ি ঋণ নিতে পারবেন। তবে দেশীয় শিল্পকে সহায়তায় বিশেষ ছাড় হিসেবে কোনো গ্রাহক যদি ইলেকট্রিক, হাইব্রিড ও দেশে উৎপাদিত বা সংযোজিত গাড়ি কিনতে চান, তবে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, সাধারণ গাড়ির ক্ষেত্রে গ্রাহক ও ব্যাংকের অংশীদারত্বের অনুপাত ৬০:৪০ হয়ে থাকে। কিন্তু ইলেকট্রিক, হাইব্রিড ও দেশীয় গাড়ির ক্ষেত্রে এই অনুপাত সর্বোচ্চ ৮০:২০ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, এ ধরনের গাড়ির দাম ১ কোটি টাকা ৮০ শতাংশ ব্যাংক ঋণ পাওয়া যাবে।
অপরিদকে, রেগুলেশন-৩২ সংশোধন করে ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের সময়সীমা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৮ বছর করা হয়েছে বলেও জানানো হয় চিঠিতে।

