প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে এনজিওগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায় সরকার: ববি হাজ্জাজ

আপডেট : ২৯ জুন ২০২৬, ২০:৪৭

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে কার্যকর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর (এনজিও) সঙ্গে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। 

সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত 'জিও-এনজিও কোলাবোরেশন ডায়ালগ' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‌‌‌শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন আনা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। বরং সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

শিক্ষা সংস্কারে সরকারের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের লার্নিং আউটকাম বৃদ্ধি করা। এ লক্ষ্য অর্জনে কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তি—এই পাঁচটি খাতে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।

ববি হাজ্জাজ জানান, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষক নিয়োগ ও বদলি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনয়ন, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল মনিটরিং এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় সরকার নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে পরিবর্তন আনতে বাস্তবসম্মত, সম্প্রসারণযোগ্য ও টেকসই উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে এনজিওগুলোর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী মডেলগুলোকে সরকার কাজে লাগাতে চায়।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধী শিশু, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, নন-ফরমাল শিক্ষা, শহরমুখী অভিবাসী শিশু, চা-বাগান এলাকার শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ব্র্যাকসহ দেশের বিভিন্ন এনজিওর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক/এনএ