কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ কারিগরি আলোচনা শুরু হয়েছে। কাতার ও পাকিস্তান এই আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) রয়টার্সকে একটি সূত্র জানিয়েছে, আলোচনা চলছে এবং এটি প্রযুক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। তবে দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে কোনো মুখোমুখি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।
সূত্র জানায়, দোহায় অন্তত তিনটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। এগুলো পারমাণবিক ইস্যু, কূটনৈতিক বিষয় এবং অর্থায়নসহ জব্দকৃত তহবিল ফেরত দেওয়ার মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে।
মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার মঙ্গলবার কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তারা আলোচনার ভিত্তি তৈরি করেছেন বলে জানা গেছে, তবে নিজেরা সরাসরি আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন না।
এ মাসের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামাতে তেহরান ও ওয়াশিংটন একটি সমঝোতা স্মারকে সম্মত হয়। এরপরই মার্কিন প্রতিনিধিরা কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
তবে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, সমঝোতা অনুসারে মঙ্গলবারই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা সরাসরি আলোচনায় বসবেন। ইরান এ দাবি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবে না, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেই আলোচনা চলবে।
কাতার সরকারও নিশ্চিত করেছে যে, বর্তমানে কোনো উচ্চপর্যায়ের সরাসরি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।
কয়েক দিন আগে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর উভয়পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করলেও, সমঝোতা স্মারক অনুসারে আলোচনা প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

