আবারও দাম কমলো এলপি গ্যাসের, কবে থেকে কার্যকর

আপডেট : ০২ জুলাই ২০২৬, ১৬:২২

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে। এবার প্রতি কেজিতে কমেছে ২৯ টাকা ৭৬ পয়সা। এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম কমেছে ৩৫৭ টাকা। এর আগে গত মাসে কমেছিল ৫৫ টাকা। এখন নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ টাকা। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নতুন এ দর ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যা আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামার পর থেকেই বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম কমতে শুরু করে। 

বিইআরসি বলছে, বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা ৬ পয়সা। 

জানা যায়, প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে সংস্থাটি। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। পাশাপাশি প্রতি সিলিন্ডারে বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা বলে অভিযোগ উঠেছে। 

এদিকে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এর আগে, দাম ছিল ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা। 

সবশেষ গত ২ জুন ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। এছাড়া যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। 

এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

ইত্তেফাক/এনটিএম