সিলেট-চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৬:৫৪

দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগামী পাঁচ দিনে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একই সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও গঙ্গা নদীর পানিও আগামী কয়েক দিনে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী নুসরাত জাহান জেরিন স্বাক্ষরিত বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সিলেট বিভাগ এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক দিনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এবং সংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এরপর পরবর্তী চার দিনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ ভারতের ত্রিপুরা অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে এবং একই এলাকায় অবস্থান করছে।

নদ-নদীর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী এক দিনে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী চার দিন যমুনার পানি প্রায় স্থিতিশীল থাকতে পারে। গঙ্গা নদীর পানি আগামী দুই দিন বৃদ্ধি পেতে পারে এবং পরবর্তী তিন দিন তা স্থিতিশীল থাকতে পারে। অন্যদিকে পদ্মা নদীর পানি টানা পাঁচ দিন বাড়তে পারে। তবে এ সময়ে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মাসহ দেশের সব প্রধান নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী এক দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিনে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, গোমতী ও ফেনী নদীর পানি আগামী এক দিন বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দুই দিনে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি হালদা, সাঙ্গু, সেলোনিয়া ও মাতামুহুরী নদীর পানির স্তরেও পরিবর্তন আসতে পারে।

এ ছাড়া সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের মনু, ধলাই, খোয়াই, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী এবং ভুগাই-কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে।

অন্যদিকে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আগামী তিন দিনে কমে আসতে পারে বলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে।

 
ইত্তেফাক/এমএএম