খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায়ে ৩ হাজার মৃত্যুর আশঙ্কা, প্রস্তুত অতিরিক্ত কবর

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:৩৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় উপলক্ষে সাতদিনব্যাপী বিশাল আয়োজন করছে ইরান। তবে এ আয়োজন ঘিরে এক গোপন সরকারি চিঠির বরাতে ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মানুষের সম্ভাব্য মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ওয়েল্ট।

শনিবার (৪ জুলাই) জার্মান সংবাদমাধ্যম ওয়েল্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানী তেহরানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক একটি গোপন চিঠি সংবাদমাধ্যমটির কাছে পাঠিয়েছেন। চিঠিটি ইরানের রেডক্রস ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ফার্স্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, খামেনির সাতদিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠানে বিপুল জনসমাগমের কারণে ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে। একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ নিখোঁজ হওয়ার আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্ভাব্য মৃত্যু ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে কাজ করতে একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে বলেও চিঠিতে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি তেহরানের বেহেস্ত-ই জাহরা কবরস্থানে নতুন করে কয়েক হাজার কবর প্রস্তুত করা হয়েছে।

তেহরান পৌরসভার এক কর্মীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন করে প্রস্তুত করা কবরগুলো বাস্তবেই রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, এত বড় আয়োজনে তিন হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুও হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তীব্র গরমে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমে কী পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনির মরদেহ প্রথমে তেহরান থেকে কোমে নেওয়া হবে। এরপর সেখান থেকে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে কফিন। পরে ইরাক থেকে ফিরিয়ে এনে আগামী ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফন করা হবে।

সূত্র: ওয়েল্ট।

 

ইত্তেফাক/এসএ