মাদারীপুরের শিবচরে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ঢাকাগামী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ যাত্রী এই পথে ফেরিতে পার হচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হতে দেখা গেছে। ভোর থেকে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা এই ফেরি ঘাট দিয়ে যাতায়াত করতে শুরু করেছেন। লঞ্চ ও স্পিডবোট গুলো অতিরিক্ত যাত্রী বহন করছে।
এদিকে ঘাট এলাকায় যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিস, আনসার, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।
বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ি ঘাট সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যাতায়াতের জন্য কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌপথ ব্যবহার করছেন। ঈদে যাত্রী সেবায় ২১টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ, দেড় শতাধিক স্পিডবোট রাখা হয়েছে। এছাড়া তিন শতাধিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে ঘিরে রাখা হয়েছে পুরো কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাট। তবে, সচেতন অনেক যাত্রী লঞ্চ ও স্পিডবোটের পরিবর্তে ফেরিতে পার হচ্ছে। এছাড়া যাত্রীদের চাপ সামলাতে পুরাতন কাওড়াকান্দি লঞ্চ ঘাটটি চালু রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮, আহত শতাধিক
কাঁঠালবাড়ি ঘাটের বিইডব্লিউটিসির ইন্সপেক্টর আক্তারুজ্জান বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে যাত্রীদের চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি। অধিকাংশ যাত্রী ফেরিতে পার হচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক ঘাট এলাকায় আছেন। অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাম মিয়া বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে আমরা সবকয়টি ফেরি সচল রেখেছি। পদ্মায় ঢেউ থাকায় যানবাহনের চেয়ে যাত্রীরাই বেশি পার হচ্ছেন ফেরিতে।
ইত্তেফাক/অনি
