একটি জাতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারমাণবিক বা নিউক্লিয়ার বোমার প্রয়োজন নেই, বরং সেই জাতির শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়াই যথেষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বিগত সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘গত দেড় দশকে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। যার প্রভাবে ২০০৬ সালের তুলনায় আমাদের বর্তমান শিক্ষা খাত অনেক বেশি পিছিয়ে পড়েছে।’
শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় গাজীপুরের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি, মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার কমন বিষয়গুলোতে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে।’
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘বরিশালে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল করতে মব তৈরি করেছে। তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ওরিয়েন্টেশনে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। ওরিয়েন্টেশনে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ৫৪৬ জন নবীন শিক্ষার্থী অংশ নেন।

