নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ১-১ এ সমতায়। এরপর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১১৩ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ ছিল ১–১ গোলে সমতায়। এরপর গোলের দেখা পান হুলিয়ান আলভারেজ ও লাওতারো মার্টিনেজ। এতেই সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের শুরুতে বেশ সাবধানী ছিল আর্জেন্টিনা। বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আক্রমণে উঠে তারা। এরপর ম্যাচের ১০ মিনিটেই গোলের দেখা পেয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
লিওনেল মেসির নেওয়া কর্নারে ভেসে আসা বলে হেড দিয়ে তা জালে জড়ান মিডফিল্ডার লেক্সিস ম্যাক-অ্যালিস্টার। এতেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।
গোল খাওয়া বাদ দিলে আর্জেন্টিনার সঙ্গে সমানতালে খেলেছে সুইজারল্যান্ড। একাধিকবার গোল করার কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিল। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে শেষ পর্যন্ত গোল পাওয়া হয়নি। এতে ১-০ গোলের লিড নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করে আর্জেন্টিনা।
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ থেকে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে সমতায় ফেরান ড্যান এনদোয়ে। দলীয় আক্রমণে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোলটি করেন তিনি।
ম্যাচের ৭২ মিনিটে ডাইভ দিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পর লাল কার্ড দেখেন ব্রিল এমবোলো। এতে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সুইজারল্যান্ড। তবে আর কোনো গোল না হলে সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা।
অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচের ১১৪ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন আলভারেজ। এরপর আবারও গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। সুইজারল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকেন লাওতারো মার্টিনেজ। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।

