আওয়ামী লীগ নেতাদের ইয়াবা ব্যবসা হাতবদল হয়ে এখন বিএনপির কিছু নেতার নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি বলেন, ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দলের নেতা–কর্মী হলেও ছাড় দেওয়া হবে না।
শনিবার (১১ জুলাই) নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কানকিরহাট বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে আয়োজিত মফজলুর রহমান মজুমদার স্মৃতি মেধাবৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
নোয়াখালীর সেনবাগের স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে যারা ইয়াবা ব্যবসার মতো অপরাধের সাথে জড়িত হচ্ছেন, তাদের দ্রুত সংশোধন হতে হবে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে থানায় সোপর্দ করা হবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, এর আগে ইয়াবা সংশ্লিষ্টতার কারণে যুবদলের দুই নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছে।
এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কেটে গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো ধ্বংস করার বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে সর্বোচ্চ দেড় টনের ট্রাক চলার কথা, সেখানে কিছু স্বার্থান্বেষী লোক ২০ টনের ভারী ড্রাম ট্রাক চালিয়ে রাস্তাঘাট ভেঙে তছনছ করছে, যা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের এখনো প্রায় সাড়ে চার বছর বাকি আছে। এই সময়ে যদি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের মানুষের মন জয় করতে পারেন, তবে মানুষ নির্বাচনে অবশ্যই বিএনপিকে বিবেচনা করবে।
বিএনপি কোনো অবস্থাতেই আওয়ামী লীগের মতো জোর করে বা ভোটকেন্দ্র দখল করে ক্ষমতায় যাওয়ার রাজনীতি করে না বলে জানান তিনি।

