চার মন্ত্রীর পরিবর্তন চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২৬, ১৬:১৭

দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা খাতকে গতিশীল করতে অর্থমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-এই চারজনকেই পরিবর্তন করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে একথা বলেন তিনি ৷

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে গতকাল এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন।

এ আন্দোলনের পরই চার মন্ত্রীর পরিবর্তন চাইলেন এনসিপির এই নেতা।

এর আগে আজ ফেসবুকে আরেকটি পোস্ট দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। 

পোস্টে নাসীরুদ্দীন লেখেন, শিক্ষার্থীরা যখনই কোনো ন্যায্য দাবি নিয়ে রাজপথে নামে, তখনই তাদের রাজনৈতিক পরিচয়ে ভাগ করার চেষ্টা শুরু হয়। অথচ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রত্যেক নাগরিকের, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের, শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের দাবি তুলে ধরার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও অনেক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হয়েছে জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, এ ঘটনাকে ঘিরে মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজা সরকারের দায়িত্ব। আমি প্রত্যাশা করি, কোনো রাজনৈতিক সংগঠন ছাত্রদল বা অন্য যে-ই হোক, এই পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলবে না। একইভাবে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও সংযমের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগ এড়িয়ে চলতে হবে।

এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দ্রুত ও আন্তরিক সংলাপে বসা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে ভুল স্বীকার করে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করা উচিত। আর যদি সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বের প্রতি জনআস্থা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব না হয়, তাহলে দায়িত্বশীল ব্যক্তির পদত্যাগের বিষয়টিও বিবেচনায় আসতে পারে। কারণ গণতন্ত্রে জবাবদিহিতা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং একজন নেতৃত্বের সততা ও দায়িত্ববোধেরই পরিচয়।

পোস্টে এইচএসসি’২৬ ও আলিম’২৬ পরীক্ষার্থীদের পাশে আছি জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার এখন সময়ের দাবি।

 

 

 
ইত্তেফাক/এনটিএম