চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর উত্তরাংশে স্থাপনের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল থেকে উত্তর ফটিকছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ও খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ভোর থেকে আন্দোলনকারীরা প্রধান প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়েছে। তারা খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের হেয়াকো ও বালুটিলা বাজার, হেয়াকো-ফটিকছড়ি- চট্টগ্রাম সড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড দিয়েছে।
এতে খাগড়াছড়ি- ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক ও হেয়াকো-ফটিকছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া উত্তর ফটিকছড়ির হেয়াকো, বাগানবাজার, চিকনছড়া, নারায়নহাট, দাঁতমারা, বালুটিলাসহ প্রায় সকল বাজারের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।
এর আগে বুধবার (১৫ জুলাই) হেয়াকো বাজারে সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
সংগঠনটির দাবি, নবগঠিত উপজেলার সদর দপ্তর এমন স্থানে স্থাপন করতে হবে যেন অন্তর্ভুক্ত ছয়টি ইউনিয়নের বাসিন্দারা সমানভাবে সহজে যাতায়াত করতে পারেন এবং সরকারি সেবা নির্বিঘ্নে গ্রহণ করতে পারেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বর্তমানে ঘোষিত স্থানে সদর দপ্তর স্থাপন করা হলে অধিকাংশ মানুষের যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হবে। এ কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছেন। কিন্তু দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না পাওয়ায় হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তারা।
আন্দোলনের নেতারা বলেন, দ্রুত সদর দপ্তরের স্থান পুনর্বিবেচনা করে যৌক্তিক স্থানে নির্ধারণ করা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ভূজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, হরতাল কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোথাও ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

