জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল

জুলাইয়ের বিচার ধীরগতি করে, সরকার বিচারহীনতার পথে যাত্রা করেছে

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১৫:১৪

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ মন্তব্য করেন হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন, এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে জাতীয় ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হলেও বিচারের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়।

হামিদুর রহমান বলেন, “জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং দেশের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে এর ওপর নির্ভর করছে। তার দাবি, ওই আন্দোলনে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের সূচনা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনের ঘটনার মধ্য দিয়ে হয়েছিল।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও জুলাই গণহত্যার বিচার নিয়ে প্রায় সব রাজনৈতিক দলের অবস্থান অভিন্ন। শহীদ পরিবারের সদস্যরাও দ্রুত বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিন জুলাই গণহত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সাত দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের কাছে জমা দেয় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের একটি প্রতিনিধিদল।

 
ইত্তেফাক/এসএ