২৭ জুলাই হতে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, যেতে পারবেন না যারা

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৬, ১৩:৫৩

২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন আগামী ২৭ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে। নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে হজে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

রোববার (২৬ জুলাই) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুসারে এ সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য সরকারি বা বেসরকারি—উভয় মাধ্যমেই সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে এর আগে বাধ্যতামূলকভাবে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধনকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে হজ প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

যেসব স্থানে নিবন্ধন করা যাবে
সরকারি ব্যবস্থাপনায় ই-হজ সিস্টেমে (hajj.gov.bd) ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্ট খুলে নিজেই নিবন্ধন করা যাবে। এছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম কার্যালয় এবং ঢাকা হজ অফিস থেকেও নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।

সরকারি মাধ্যমে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ জমা দিতে হবে। আর বেসরকারি মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা দিতে হবে। এজেন্সিগুলোর ব্যাংক হিসাবের তথ্য হজ পোর্টালে পাওয়া যাবে।

যেসব ব্যক্তি হজে যেতে পারবেন না
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবেন না। এছাড়া হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির জটিল রোগ, স্নায়ুবিক বা মানসিক ব্যাধি, ডিমেনশিয়া, কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি গ্রহণরত ক্যান্সার রোগী এবং যক্ষ্মা বা হেমোরেজিক ফিভারের মতো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যাওয়ার অনুমতি পাবেন না। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা কিংবা গর্ভধারণের শেষ দুই মাসে থাকা নারীদেরও ফিটনেস সনদ দেওয়া হবে না।

প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন এবং প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। এছাড়া ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদসম্পন্ন পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক।

 
ইত্তেফাক/এসজেএস