শরীরের আঘাতের চিহ্ন, মাঠে পড়ে ছিল পাঁচতারকা হোটেল কর্মচারীর মরদেহ

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪:২৫

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সৈকতের কাছে একটি মাঠ থেকে আবদুল আজিজ (২৭) নামে এক হোটেল কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ইনানী সৈকতের পূর্ব পাশের পাঁচতারকা হোটেল বে-ওয়াচের স্টাফ কোয়ার্টারের পাশের খালি জায়গা থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত আবদুল আজিজ উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা রশিদ আহমদের ছেলে।

গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ইনানী সৈকতের পূর্ব পাশের পাঁচতারকা হোটেল বে-ওয়াচের স্টাফ কোয়ার্টারের পাশের খালি জায়গা থেকে পুলিশ আজিজের মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি ওই হোটেলের গরুর খামারের পরিচর্যার দায়িত্বে ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত আবদুল আজিজ উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা রশিদ আহমদের ছেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত সোয়া ১২টার দিকে হোটেল বে-ওয়াচের স্টাফ কোয়ার্টারের উত্তর পাশের খালি জায়গায় আবদুল আজিজের মরদেহ পড়ে ছিল। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। কিন্তু কী কারণে এই ঘটনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে মূল রহস্য।

আবদুল আজিজের পরিবার জানায়, প্রায় এক বছর ধরে আজিজ হোটেল বে-ওয়াচে চাকরি করছেন। তিনি হোটেলের স্টাফ কোয়ার্টারে থাকতেন এবং হোটেলের গরুর খামার দেখভাল করতেন। তাদের দাবি, আজিজকে মারধর কিংবা শ্বাসরোধে হত্যার পর খোলা মাঠে ফেলে রেখে গেছে হত্যাকারী। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার রহস্য উন্মোচন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা দরকার। এ বিষয়ে মামলা করা হবে। 

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বে-ওয়াচ হোটেলের উপমহাব্যবস্থাপক এনায়েত উল্লাহ বলেন, নিহত আবদুল আজিজ গরুর খামার দেখাশোনা করতেন। তিনি স্থানীয় লোক। তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই।

 

ইত্তেফাক/এমএসআর