যৌতুক ও স্ত্রীকে মারধরের মামলায় প্রিন্স মামুনের জামিন নামঞ্জুর 

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫:৫৩

কোটি টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গত ২৩ জুলাই গভীর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে ফেসবুক লাইভে এসে আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগের ঘটনায় প্রিন্স মামুনের স্ত্রী একটি মামলা করেন। এর আগে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও মারধরের অভিযোগে তিনি আরেকটি মামলা করেন। ওই মামলায় ২৪ জুলাই আদালত প্রিন্স মামুনের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান। পরে আত্মহত্যার চেষ্টার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে বুধবার আদালত তা মঞ্জুর করেন।

মামলার এজহার অনুযায়ী, প্রিন্স মামুনের স্ত্রী একজন ফ্যাশন মডেল। প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। 

অভিযোগে বলা হয়েছে, মামুন পরকীয়ায় জড়িত ও মাদকাসক্ত। এসব বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি স্ত্রীকে মারধর করতেন। বিয়ের পর থেকেই দোকান করার জন্য মামুন এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন।

এতে আরও বলা হয়, স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে বলেন প্রিন্স মামুন। তবে স্ত্রী অস্বীকৃতি জানালে, তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করাসহ এলোপাথারি কিল ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন। মারধরের সময় তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে।” 

আসামি পক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন আদালতকে বলেন, “বাদী এবং আসামি সুইট কাপল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা এমনটা দেখেছি। কোটি টাকা যৌতুক চেয়ে মারধরের অভিযোগ বাদী মামলা করেছে। সেখানে তেমন কোনো মেডিক্যাল সার্টিফিকেট নেই।” 

 

ইত্তেফাক/এসএএস