গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৪০

পূর্বশর্ত হিসেবে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে সরকার, গণমাধ্যম, মালিকপক্ষ, সাংবাদিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত দায়িত্বশীল ভূমিকাই একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর হলিডে ইন হোটেলে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র কেবল নির্বাচননির্ভর কোনো ব্যবস্থা নয়; এটি একটি চর্চা ও সংস্কৃতি। তাই টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহনশীলতা, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ জরুরি।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা ছাড়া গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশকে গণমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি সাংবাদিকদের আত্মসেন্সরশিপ পরিহার করে পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন-ভাতা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা জোরদার হলে গণমাধ্যম আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। আর সত্যনিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি গণতন্ত্রকেও আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ড. আব্দুল হাই সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও প্রতিনিধিরা।

ইত্তেফাক/এমএএম