তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজের আয়না। সমাজ কিভাবে চলবে তার প্রতিফলন হবে গণমাধ্যমে। গণমাধ্যমের আয়না হতে হবে নিখুঁত। খুঁতসম্পন্ন গণমাধ্যম প্রকৃত অর্থে সমাজের চেহারা তুলে ধরবে না। গণমাধ্যমকে নিখুঁত করার দায়িত্ব গণমাধ্যমকেই নিতে হবে।
রোববার (৮ আগস্ট) বরিশাল সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলে বরিশাল থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ’ পত্রিকার ৫৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
বিএনপির মধ্যে গডফাদার সংস্কৃতি, মাস্তান তন্ত্রের সংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যেসব রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মুখ খুললেই দুর্গন্ধ বের হয়, ভালো ভাবে কথা বলতে পারে না এই ধরনের নেতৃত্বকে বিএনপিতে দলে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের দায়িত্বটিও রাজনৈতিক সকল দল যাতে করতে বাধ্য থাকে সে কারণে গণমাধ্যমকে চাবুকের ভূমিকা পালন করতে হবে।’
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নেশায় বুঁধ করে রাখার একটা গভীর ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সীমান্ত এলাকাগুলোতে নেশাদ্রব্য উৎপাদন করা হচ্ছে। বাংলাদেশকে বাজার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে টার্গেট করে সীমন্ত এলাকাতে এ কাজ করা হচ্ছে। সাংবাদিকরা যদি সম্মিলিতভাবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করার মধ্য দিয়ে নেশার উৎস, কারবারি কারা সেটা খুঁজে বের করা যায়, সাংবাদিকরা যদি সেটিকে উন্মোচিত করে তাহলেই কেবল রাষ্ট্রের পক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়ে দাঁড়ায়।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত দরকার। তারেক রহমান এই নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য ৩১ দফার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। সেই কর্মসূচির মধ্য দিয়েই আমরা বাংলাদেশকে মেরামত করতে চাই, সংস্কার করতে চাই।’
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিগত সরকার গ্যাস উত্তোলন না করে আমদানিতে গেছে। কারণ উত্তোলন করলে তার লাভ কম, মধ্যস্বত্বভোগী তৈরি করা যায় না। কিন্তু বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ নীতিকে নিয়োগ করছে উত্তোলনের কাজে। বিদ্যুৎ কাঠামোকে ধরে রাখার জন্য যেটুকু আমদানি করতে হয় সেটুকু আমদানি করবে সরকার। বাকিটা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে করার চেস্টা করবে। এতে খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব।’

