পরিসংখ্যানে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫১

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারা বাংলাদেশ দলই ডারউইন টেস্টে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভাবনীয় রাজত্ব করছে। প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত ২১৯ রানের বিশাল লিড নিজেদের পকেটে পুরেছে বাংলাদেশ। অজিদের মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের এই সুবর্ণ সুযোগে ইতিহাস এবং পরিসংখ্যান-দুটোই এখন স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চোখ রাঙাচ্ছে।

২০০০ সালের পর অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ন্যূনতম ১৫০ রানে পিছিয়ে থাকার পর মাত্র তিনবার ম্যাচ জিতেছে। এর মধ্যে ছিল সর্বোচ্চ ২০৬ রানের লিড, ২০১০ সালে সিডনি টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওই জয় পায় অজিরা। এ ছাড়া ২০০৪ সালে গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬১ এবং ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৫৮ রানে পিছিয়ে থাকার পর তারা জয় পেয়েছে।

এর মানে ২০০০ সালের পর দুইশ’র বেশি লিডে পিছিয়ে থাকার স্রেফ একবার জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ অবশ্য তারচেয়েও (এখন পর্যন্ত ২১৯ রান) বেশি লিড নিয়েছে ডারউইনে। এ ছাড়া ২০১৯ সালের জানুয়ারির পর (প্রতিপক্ষ ভারত) ঘরের মাঠে প্রথমবার দুইশ’র বেশি রানে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। এ ছাড়া প্রথম ইনিংসে ২০০+ রানে ৮২ বার পিছিয়ে পড়ে তারা মাত্র তিনবার জিতেছে।

যদিও প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৯৭ রানে পিছিয়ে থাকার পরও টেস্টে জয়ের রেকর্ড আছে অস্ট্রেলিয়ার। ১৯৯২ সালে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা। এ ছাড়া ১৯৫০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৩৬ রানে পিছিয়ে থাকার পর অজিরা টেস্ট জিতেছিল।

এ ছাড়া ভারতের বিপক্ষে খেলা সেই সিডনি টেস্টে প্যাট কামিন্সের দল এক ইনিংসে ১৬৭.২ ওভার বল করেছিল। ২০১৯ সালের সেই ম্যাচের পর কোনো ইনিংসে সর্বোচ্চ ওভার করতে হলো বাংলাদেশের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত নাজমুল হোসেন শান্ত’র দল ১৩৩ ওভার ব্যাট করেছে। 

চলমান ডারউইন টেস্টে ব্যাট হাতে একটি রেকর্ড হয়েছে বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদেরও। তিনি খেলেছেন ৯২ বল, ৮ নম্বর বা এর নিচের অবস্থানে ব্যাটিংয়ে নেমে যা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বল মোকাবিলার নজির। ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে সর্বোচ্চ ৯৭ বল খেলেছেন নাসির হোসেন।

 

ইত্তেফাক/এসএইচ