নজরদারিতে শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়া, স্ক্রিনশট যাবে মাউশিতে

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৮

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষক ও কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কঠোরভাবে নজরদারিতে রাখতে একটি বিশেষ 'সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি' গঠন করা হয়েছে। সরকারের এই নতুন উদ্যোগের আওতায় নির্দেশিকা পরিপন্থী কোনো কনটেন্ট পাওয়া গেলে তা সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাউশির প্রকাশিত এক চিঠির তথ্য অনুযায়ী, এই মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক টিপু সুলতান।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের 'সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)' এবং সরকারি আচরণবিধি শতভাগ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশিকাগুলো সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা পরিবীক্ষণ করতেই মূলত এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মাউশির অধীনস্থ কোনো শিক্ষক বা কর্মী যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নীতিমালার পরিপন্থী কোনো স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও বা পোস্ট প্রকাশ কিংবা প্রচার করেন, তবে তা নক্ষত্রমাত্র সংরক্ষণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জানাতে হবে।

অভিযোগ পাঠানোর ক্ষেত্রে যেসকল তথ্য অবশ্যই যুক্ত করতে হবে: সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা শিক্ষকের নাম, পদবি ও কর্মস্থল; ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম ও অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের লিংক; পোস্ট প্রকাশের তারিখ ও সময় এবং পোস্টের স্ক্রিনশট ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ।

সংগৃহীত এসব তথ্য ও প্রমাণ সরাসরি কমিটির আহ্বায়কের [email protected] ই-মেইল ঠিকানায় পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাউশির সকল পরিচালক, আঞ্চলিক পরিচালক, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট এবং মহাপরিচালকের পিএ (ব্যক্তিগত সহকারী)-এর কাছে এই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

ইত্তেফাক/এএম