প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধ আরও জোরদার করলে ইউরোপে অবস্থিত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে ইরান। বুধবার (১৯ আগস্ট) ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের বরাতে জানানো হয়, তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার ঘনিষ্ঠ সূত্রের মাধ্যমে এই তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে।
সম্ভাব্য আক্রমণের তালিকায় থাকা ঘাঁটিগুলোর মধ্যে বুলগেরিয়ার বিজমার বিমানঘাঁটি অন্যতম, যা গত মাসে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানের জন্য অনুমোদিত হয়েছিল। এ ছাড়া গত মার্চে প্রথম দফায় ড্রোন হামলার শিকার সাইপ্রাসের ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতেও পুনরায় আঘাত হানার কথা ভাবছে তেহরান।
ইরান তাদের মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে দক্ষিণ ইউরোপের একাধিক মার্কিন সামরিক আউটপোস্টে হামলা চালাতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোপের পানির নিচের ফাইবার-অপটিক কেবলগুলোতেও সাবোটাজ বা নাশকতা চালানোর বিষয়টি তাদের সামরিক ভাবনায় রয়েছে।
ইরানের সংশ্লিষ্ট এক সূত্র জানিয়েছে, আমেরিকা যদি অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে, তবে ইরান যেকোনো মূল্যে আত্মরক্ষা করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের সীমান্ত ছাড়িয়ে ইউরোপেও হামলা চালাবে। গত সোমবার ওয়াশিংটন ও তেহরানের ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়া এবং শান্তিবৈঠক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, দূরপাল্লার হামলায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র পৌঁছাতে পারলেও সেগুলোর নির্ভুলতা ও শক্তির পরিমাণ কিছুটা কম থাকে। এর আগে ভারত মহাসাগরের ডিয়েগো গার্সিয়ার মার্কিন-যুক্তরাজ্য ঘাঁটিতে হামলা ব্যর্থ হলেও সাইপ্রাসের আক্রোতিরি ঘাঁটিতে সফল আঘাত হেনেছিল তেহরান।
সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট

