রাষ্ট্রবিরোধী গোপন অপতৎপরতায় জড়িত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর এ প্রতিবেদন জমা দেন তারা। তাদের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্সবিরোধী হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, একটি অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক বরাবর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিযুক্ত শিক্ষকদের তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। সেখানে তাদের কনভারসেশনের স্ক্রিনশট এবং কর্মকাণ্ডের সকল তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া সংবাদমাধ্যমে ৪৪ শিক্ষক দাবি করা হলেও প্রকাশিত সংবাদের তালিকা থেকে ইবির শিক্ষকদের নামের সঙ্গে মেলে এমন প্রায় ২৫ জনের নাম পাওয়া গেছে। এছাড়া অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্স অনুসারে অবৈধ হলে তারা শাস্তির আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, এটি তদন্তাধীন বিষয়। এ বিষয়ে কিছু বলার থাকলে কমিটির আহ্বায়ক বলবে। অথবা আমরা অফিসিয়ালি প্রকাশ করব।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমরা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সিন্ডিকেট মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের আগে তদন্তাধীন বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করার নিয়ম না থাকায় এর বেশিকিছু বলতে পারছি না।

