নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে একাধিক গ্রাম কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ভয়াবহ এ দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬৫ জনের প্রাণহানি হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় এক হাজার মানুষ, যাদের প্রায় অর্ধেকই বিদেশি নাগরিক।
রাসুয়া অঞ্চলের ভোতেকোশি নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নদীর তীরের বহু বাড়িঘর, সড়ক ও সেতু ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্যোগের পর দুর্গত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে।
নেপালের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন দেশ। উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মানবিক সহায়তাও পাঠানো হচ্ছে।
প্রাথমিক বিশ্লেষণে এ বিপর্যয়ের পেছনে ভূমিকম্পের বদলে হিমবাহ ধস এবং সেখান থেকে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোতকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আকস্মিক ওই স্রোত নদীর পানি বাড়িয়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ছবি বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং এএফপি থেকে সংগৃহীত
