মার্কিন সরকারের ফরেন মিলিটারি সেলস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনতে একটি লেটার অফ অফার অ্যান্ড অ্যাকসেপ্টেন্স (এলওএ) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর বলেন, এই চুক্তিটি একটি প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে প্রতিফলিত করে যা আরও গভীর, সক্ষম এবং তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম উইয়ন নিউজ এ খবর জানিয়েছে।
ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি জ্যাভলিন ট্যাংকবিধ্বংসী ব্যবস্থা কেনার পরিকল্পনার খবরটি প্রথম জানান দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। শুক্রবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বড় খবর! ভারত যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত জ্যাভলিন ট্যাংকবিধ্বংসী ব্যবস্থা কেনার পরিকল্পনা করছে।’ তিনি বলেন, এই ক্রয়ের ফলে ভারতে ক্ষেপণাস্ত্রটির যৌথ উৎপাদনের পথ খুলে যেতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আনুমানিক ৪ কোটি ৫৭ লাখ বা ৪৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই অস্ত্র ব্যবস্থা বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দেওয়ার নয় মাস পর চুক্তিটি চূড়ান্ত হলো।
BIG news! India plans to buy the battle-tested Javelin anti-tank system. Just as @secwar highlighted at the May 2026 Shangri-La Dialogue, this is a great step forward in the U.S.-India defense relationship and opens the door to co-production possibilities. The engagement between…
— Ambassador Sergio Gor (@USAmbIndia) August 28, 2026
জ্যাভেলিন নামের এই অস্ত্র ব্যবস্থাটি মার্কিন সেনাবাহিনী, মার্কিন মেরিন কোর এবং বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ক্রেতা দেশ ব্যবহার করে থাকে। সাঁজোয়া যান থেকে শুরু করে সুদৃঢ় সুরক্ষিত অবস্থান ও বিভিন্ন ধরণের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য এই সিস্টেমটি তৈরি করা হয়েছে। এটি আরটিএক্স এবং লকহিড মার্টিনের যৌথ অংশীদারিত্ব ‘জ্যাভেলিন জয়েন্ট ভেঞ্চার’-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়। দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে গত বছর ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১০ বছর মেয়াদী প্রতিরক্ষা কাঠামোর পথ ধরেই এই পদক্ষেপটি এলো।
ভারতে মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, এই যুগান্তকারী স্বাক্ষরটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি চলমান মার্কিন সমর্থনের গভীরতা প্রদর্শন করে মার্কিন-ভারত প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করবে। এটি পারস্পরিক লাভজনক যৌথ উৎপাদন এবং উভয় দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তিকে শক্তিশালী করার জন্য অতিরিক্ত সুযোগের বিষয়ে আলোচনার পথ খুলে দেবে।

