হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:০৯

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে দুই ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সৎমায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা রাশেদুল ইসলাম। এ সময় তার হাতে হাতকড়া ছিল।

রাশেদুল ইসলাম জয়পুরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। হাতকড়া পরা অবস্থায় জানাজায় অংশ নেওয়ার ছবি ও ভিডিও মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

রাশেদুল ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের চৌমুনী বাজার এলাকার ধনতলা গ্রামের প্রয়াত শামসুদ্দীনের ছেলে। ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে করা একটি নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গত ২২ আগস্ট থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে অসুস্থতাজনিত কারণে রাশেদুলের সৎমা রহিমা বিবি মারা যান। তার জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে পরিবারের পক্ষ থেকে রাশেদুলকে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত সময়ের জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়। পুলিশি পাহারায় কারাগার থেকে বের হয়ে প্রথমে নিজ বাড়িতে যান রাশেদুল। সেখানে হাতকড়া পরা অবস্থায় কিছু সময় সৎমায়ের মরদেহের পাশে অবস্থান করেন। পরে একই অবস্থায় তার জানাজা ও দাফনে অংশ নেন। দাফন শেষে পুলিশ তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জয়পুরহাট জেলা কারাগারের প্রধান কারারক্ষী রেজাউল করিম জানান, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত রাশেদুল ইসলাম প্যারোলে মুক্ত ছিলেন।

জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম বলেন, ‘তিনি প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় যান। রাশেদুল ইসলাম সর্বক্ষণ পুলিশি পাহারায় ছিলেন। জানাজা শেষে আবারও তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।'

ইত্তেফাক/এসজে