সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে সামনাসামনি বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ চ্যালেঞ্জ জানান।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) যাওয়ার প্রয়োজন নেই, আসিফ মাহমুদ তার মুখোমুখি হলেই তিনি যাবতীয় অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকাকালে কোনো দাপ্তরিক যৌক্তিকতা ছাড়া আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত দুবাই সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, এই সফরের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে আজও কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
বর্তমান সরকারের আমলে নয়, বরং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ই আসিফের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সামনে এসেছিল উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, তৎকালীন দুদক নিরপেক্ষ হলে তার সহকারী একান্ত সচিবের (এপিএস) বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালালেও আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্তে কেন বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা বোধগম্য নয়। তৎকালীন সময়েই যদি এসব অভিযোগের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হতো, তবে বর্তমানে নতুন করে তদন্তের প্রশ্ন উঠত না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং এনসিপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনগুলোতে দলের শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী প্রশ্ন তোলেন, জ্যেষ্ঠ নেতারা নিজেদের বিতর্কমুক্ত রাখতে আসিফ মাহমুদের পাশে দাঁড়ানো থেকে বিরত থাকছেন কি না।
জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, দুর্নীতির অভিযোগের কারণেই তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধ সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামীর আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে রাজি হননি। একই কারণের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

