রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্সের শ্রেণিকক্ষ থেকে শুরু। সামনে তখন আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রযুক্তি কিংবা বৈশ্বিক বিনিয়োগ জগতের নেতৃত্ব দেওয়ার কোনো নিশ্চিত পথ ছিল না। ছিল শুধু পড়াশোনা, নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা আর ক্যারিয়ারে একটু একটু করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়।
সেই পথের শুরু ব্যবসা উন্নয়ন ও বিক্রয়ের কাজ দিয়ে। এরপর একে একে বদলেছে কর্মক্ষেত্র, বেড়েছে দায়িত্ব, বিস্তৃত হয়েছে পরিচিতির পরিধি। কুয়ালালামপুর থেকে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, এমনকি লাতিন আমেরিকার বাজার—আন্তর্জাতিক আর্থিক সেবা ও অনলাইন ট্রেডিংয়ের নানা বাস্তবতার সঙ্গে কাজ করতে করতে একসময় নেতৃত্বের জায়গায় উঠে এসেছেন বাংলাদেশের সৈয়দ তানভীর আহমেদ।
আজ তিনি ওমানের মাসকাটভিত্তিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ডিবি ইনভেস্টিংয়ের বৈশ্বিক ব্যবসা, কৌশল ও পরিচালন বিভাগের গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার। এক দশকের কিছু বেশি সময়ের পেশাগত যাত্রায় ব্যবসা উন্নয়নের একটি প্রাথমিক পদ থেকে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পৌঁছানোর এই গল্পটি তাই কেবল পদোন্নতির নয়; এটি একজন বাংলাদেশি পেশাজীবীর নিজেকে তৈরি করার গল্প।
ক্যারিয়ারে কিছু পদোন্নতি আসে সময়ের নিয়মে। কিন্তু কিছু পদোন্নতি একজন পেশাজীবীর দীর্ঘ প্রস্তুতি, বাজার বোঝার ক্ষমতা এবং ফল দেওয়ার সামর্থ্যের প্রতিফলন হয়ে ওঠে। সৈয়দ তানভীর আহমেদের ক্যারিয়ারকে দ্বিতীয় ধরনের যাত্রা হিসেবেই দেখা যায়।
তার পেশাজীবনের প্রথম দিকের বড় অভিজ্ঞতা আসে কুয়ালালামপুরভিত্তিক গ্লোবাল মার্কেট ইনডেক্সে। সেখানে ব্যবসা উন্নয়ন ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজার সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন শুরু করেন তিনি। এরপর জারা এফএক্সে বিক্রয় পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০২৩ সালে তার জারা এফএক্সে যোগ দেওয়ার খবর প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক বৈদেশিক মুদ্রা বাণিজ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম এফএক্স নিউজ গ্রুপ। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে তিনি ওয়ানরয়্যালে জ্যেষ্ঠ ব্যবসা উন্নয়ন ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছিলেন।
এই সময়টিই তার ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তৈরি করে আর্থিক প্রযুক্তির ব্যবসায় শুধু ভালো পণ্য থাকলেই হয় না। বাজারকে বুঝতে হয়, মানুষকে বুঝতে হয়, গ্রাহকের চাহিদা বুঝতে হয় এবং সবচেয়ে বড় কথা, সম্পর্ক তৈরি করতে হয়।
এরপর ওয়ানরয়্যালে আঞ্চলিক ব্যবসা উন্নয়ন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান তানভীর। ভারতীয় উপমহাদেশ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ওমানের বাজারের দায়িত্ব ছিল তার ওপর।
এ পর্যায়ে এসে তার কাজের পরিধি বদলে যায়। একটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা বিক্রির পরিবর্তে তাকে ভাবতে হয়েছে একটি পুরো অঞ্চলের ব্যবসা কীভাবে বাড়ানো যায়। কোথায় নতুন সুযোগ রয়েছে, কীভাবে নতুন অংশীদার তৈরি করা যায়, কীভাবে গ্রাহকভিত্তি বাড়ানো যায় এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে আর্থিক সেবা সাজানো যায় এসব প্রশ্ন হয়ে ওঠে তাঁর প্রতিদিনের কাজের অংশ।
প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, ওয়ানরয়্যালে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অঞ্চলে অংশীদার ও সহযোগী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, স্থানীয় বাজারের জন্য শরিয়াহসম্মত ও সুদমুক্ত আর্থিক পণ্য চালু এবং ওমান কার্যালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি।
অর্থাৎ, তানভীরের কাজের কেন্দ্রবিন্দু ধীরে ধীরে ‘বিক্রি’ থেকে ‘বাজার তৈরি’র দিকে সরে যায়।
ব্যবসায়িক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সাফল্যের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ অবশ্যই ফলাফল। ওয়ানরয়্যালে তার নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে নিট আমানত পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পায় এবং ৪০ হাজারের বেশি ব্যবসায়ী বা ট্রেডারকে প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হয়।
এই সংখ্যাগুলো শুধু ব্যবসা বৃদ্ধির হিসাব নয়। এর পেছনে রয়েছে নতুন গ্রাহক সংগ্রহ, অংশীদার নেটওয়ার্ক তৈরি, বাজার সম্প্রসারণ এবং গ্রাহককে দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখার মতো একাধিক সক্ষমতার সমন্বয়।
আর সেই অভিজ্ঞতাই তাকে পরবর্তী বড় দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত করে।
তানভীর আহমেদের ক্যারিয়ারের অন্যতম শক্তি আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করার অভিজ্ঞতা। সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারতীয় উপমহাদেশ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ওমান এবং লাতিন আমেরিয়ার মতো ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলের বাজারের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।
প্রতিটি বাজারের বাস্তবতা আলাদা। কোথাও গ্রাহকের আচরণ ব্যবসার গতিপথ নির্ধারণ করে, কোথাও স্থানীয় অংশীদারিত্ব হয়ে ওঠে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি, আবার কোথাও নিয়ন্ত্রক কাঠামো কিংবা প্রযুক্তি গ্রহণের মাত্রা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।
একজন আন্তর্জাতিক ব্যবসা নেতার জন্য এই বৈচিত্র্যই বড় অভিজ্ঞতা। কারণ একটি বাজারে পাওয়া সাফল্যের কৌশল অন্য বাজারে হুবহু প্রয়োগ করা যায় না। স্থানীয় বাস্তবতা বুঝে কৌশল বদলাতে হয়। তানভীরের পেশাগত জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে এই বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ব্যবসার নতুন সুযোগ তৈরিতে।
২০২৬ সালের এপ্রিলে ডিবি ইনভেস্টিং তাকে প্রধান ব্যবসা উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়। তখন মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা, ভারতীয় উপমহাদেশ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিয়ায় ব্যবসা উন্নয়ন ও কৌশলগত প্রবৃদ্ধি এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পান তিনি।
নতুন দায়িত্বে যোগ দেওয়ার সময় তানভীরের একটি ধারণা বিশেষভাবে সামনে আসে—শুধু বাজার পরিচালনা নয়, নতুন বাজার তৈরি করতে হবে।
তার আগের ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে এই দর্শনের সঙ্গে ধারাবাহিকতা খুঁজে পাওয়া যায়। নতুন বাজার খোঁজা, অংশীদার তৈরি করা, গ্রাহকভিত্তি বাড়ানো এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে ব্যবসার মডেলকে মানিয়ে নেওয়া—প্রতিটি পর্যায়েই এসব ছিল তাঁর কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তবে ডিবি ইনভেস্টিংয়ে তার এই দায়িত্বও বেশিদিন একই থাকেনি।
প্রধান ব্যবসা উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। আন্তর্জাতিক এফএক্স শিল্পবিষয়ক সংবাদমাধ্যম এফএক্স নিউজ গ্রুপ ২০২৬ সালের জুনে তাঁর এই নতুন দায়িত্বের খবর প্রকাশ করে।
এটি শুধু একটি পদবির পরিবর্তন নয়। ব্যবসা উন্নয়নের নেতৃত্ব থেকে এখন তার দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক ব্যবসা, কৌশল এবং পরিচালন ব্যবস্থা। অর্থাৎ একটি প্রতিষ্ঠান কোন পথে এগোবে, কীভাবে ব্যবসা বাড়বে এবং সেই কৌশল বাস্তবে কীভাবে কার্যকর করা হবে—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্তরের সমন্বিত দায়িত্ব এখন তার কাঁধে।
ক্যারিয়ারের ভাষায় বলা যায়, বিক্রয় থেকে কৌশল, কৌশল থেকে সাংগঠনিক নেতৃত্বে পৌঁছেছেন তিনি।
তানভীর আহমেদের গল্পে তার শিক্ষাজীবনের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইন্যান্স বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক আর্থিক সেবা ও অনলাইন ট্রেডিং শিল্পে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন তিনি।
বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্সের শিক্ষার্থী থেকে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় উঠে আসার এই যাত্রা নিঃসন্দেহে তরুণদের জন্য আগ্রহের।
কারণ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার মানেই শুরু থেকেই বড় প্রতিষ্ঠানের বড় পদে থাকা নয়। বরং একটি নির্দিষ্ট দক্ষতা দিয়ে শুরু করে, বিভিন্ন বাজারে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করে, ভুল থেকে শেখা এবং ধারাবাহিকভাবে ফলাফল দেখিয়ে ধাপে ধাপে সামনে এগিয়ে যাওয়াও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার একটি পথ।
আজকের আর্থিক প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ শিল্পও আগের মতো নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল পেমেন্ট, তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগসেবা বদলে দিচ্ছে পুরো খাতকে। গ্রাহকের প্রত্যাশা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতাও।
এই বাস্তবতায় একজন শীর্ষ নির্বাহীর কাজ শুধু আয় বাড়ানো নয়। একই সঙ্গে বুঝতে হয় প্রযুক্তির পরিবর্তন, গ্রাহকের পরিবর্তিত আচরণ, নতুন বাজারের সম্ভাবনা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক ঝুঁকি।
তানভীরের পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গিতেও তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত, গ্রাহককেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধি, টেকসই ব্যবসা এবং নতুন বাজার তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। ডিবি ইনভেস্টিংয়ে যোগ দেওয়ার সময়ও নৈতিকতা, গ্রাহককেন্দ্রিকতা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
অর্থাৎ তার কাছে ব্যবসা মানে শুধু কতটা বড় হওয়া গেল, সেটি নয়; কতটা আস্থা তৈরি করা গেল, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
একজন পেশাজীবীর ক্যারিয়ারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন অনেক সময় ‘তিনি কোথায় পৌঁছেছেন’ নয়, বরং ‘কীভাবে সেখানে পৌঁছেছেন’।
সৈয়দ তানভীর আহমেদের ক্ষেত্রে সেই পথটি বেশ পরিষ্কার ব্যবসা উন্নয়ন দিয়ে শুরু, এরপর বিক্রয় নেতৃত্ব, আঞ্চলিক ব্যবসা উন্নয়নের দায়িত্ব, প্রধান ব্যবসা উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং শেষ পর্যন্ত গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার।
প্রতিটি ধাপে বদলেছে দায়িত্বের পরিধি। বেড়েছে বাজারের সংখ্যা, মানুষের সঙ্গে কাজের পরিধি এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্তর। একটি পর্যায়ে তিনি ছিলেন ব্যবসা তৈরির সঙ্গে যুক্ত একজন পেশাজীবী; এখন তাকে ভাবতে হচ্ছে পুরো প্রতিষ্ঠানের বৈশ্বিক ব্যবসা, কৌশল ও পরিচালন ব্যবস্থাকে একসঙ্গে নিয়ে কীভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্সের ছাত্র থেকে আন্তর্জাতিক আর্থিক সেবা শিল্পের গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার সৈয়দ তানভীর আহমেদের এক দশকের বেশি সময়ের পথচলা তাই শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়।
এটি এমন এক গল্প, যেখানে প্রতিটি নতুন দায়িত্ব ছিল পরবর্তী দায়িত্বের প্রস্তুতি, প্রতিটি নতুন বাজার ছিল নতুন শিক্ষা এবং প্রতিটি অর্জন ছিল আরও বড় চ্যালেঞ্জের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সিঁড়ি।
আজ তার সামনে দায়িত্ব আরও বড়। একটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্মের বৈশ্বিক ব্যবসা, কৌশল ও পরিচালন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থেকে তাকে একদিকে প্রবৃদ্ধির নতুন পথ খুঁজতে হবে, অন্যদিকে সেই প্রবৃদ্ধিকে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই করতে হবে।
তবে তার আগের ক্যারিয়ার একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে নতুন বাজারকে সুযোগ হিসেবে দেখা এবং সেই সুযোগকে বাস্তব ব্যবসায়িক ফলাফলে রূপ দেওয়া তাঁর অন্যতম শক্তি।
একসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ফাইন্যান্সের পাঠ নেওয়া যে তরুণের সামনে ছিল একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, আজ তিনি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের জগতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
সেই যাত্রার সবচেয়ে বড় অর্জন হয়তো বর্তমান পদটি নয়। বরং এটি প্রমাণ করা যে বাংলাদেশের একজন তরুণও নিজ দেশের সীমানা পেরিয়ে বৈশ্বিক আর্থিক প্রযুক্তির জগতে নিজের জায়গা তৈরি করতে পারেন।
আর গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজারের পদটি হয়তো তার ক্যারিয়ারের শেষ গন্তব্য নয়—বরং আরও বড় এক অধ্যায়ের শুরু।

