জাতীয় নির্বাচনের মতো উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্যে কাজ করছে কমিশন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও এর পরপরই পবিত্র রমজান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকসহ বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা শুরু হবে।
এই সময়সূচির মধ্যে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন কীভাবে আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে কমিশন কাজ করছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করতে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি উপনির্বাচনগুলোতেও জাতীয় নির্বাচনের মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

