জাল শিক্ষাগত সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের সাবেক অফিস সহকারী মোহাম্মদ গোলাম মাওলাকে চাকরি থেকে অপসারণের পর ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০০৭ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চাকরিকালে নেওয়া এ অর্থ ৩০ দিনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাধারণ ও সংস্থাপন শাখা থেকে এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ভিত্তিতে মোহাম্মদ গোলাম মাওলা সুপ্রিম কোর্টের অফিস সহকারী পদে চাকরি নেন। এ ঘটনায় ২০২১ সালে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।
আদেশে আরও বলা হয়, গোলাম মাওলার চাকরি শুরু থেকেই বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। ফলে চাকরিকালে তিনি কোনো বেতন-ভাতা পাওয়ার যোগ্য ছিলেন না।
সুপ্রিম কোর্টের নথি অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরিকালে গোলাম মাওলা বেতন-ভাতা বাবদ মোট ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা উত্তোলন করেছেন।
এ অর্থ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অটোমেটেড চালান সিস্টেমের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০০৭ সালে সুপ্রিম কোর্টে অফিস সহকারী পদে চাকরি নেওয়া গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর ২০২১ সালে বিভাগীয় মামলাটি করা হয়েছিল।

