কখন যে পুরো দেশটাকেই উড়িয়ে দেব: ট্রাম্প

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৯

যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রকে তিনটি শর্ত দিয়েছে ইরান। এই নিয়ে মুখ খোলেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই রোববার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এখন ডিসাইডিং মোডে আছি।’ পাশাপাশি আগামী দিনে খুব বড় কিছু ঘটতে চলেছে বলেও সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। তেহরানের সামরিক বাহিনী সতর্ক করে দিয়েছে, আবার হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন।

ইরানের মোকাবিলায় আমেরিকার সামনে তিনটি বিকল্প রয়েছে জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে। প্রথমত, ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া। দ্বিতীয়ত, অর্থনীতিকে দুর্বল করে ওদের পথে বসানো। তৃতীয়ত, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছনো।’ এর পরেই হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, ‘আমরা কখন এবং কীভাবে ওদের দেশটাকে উড়িয়ে দেব, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তাদের উচিত নিজেদের আচরণ ঠিক করা।’ এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসনেট বলেছেন, আগামীকাল (আজ মঙ্গলবার) থেকে বৈশ্বিক আকাশসীমা সব ইরানি এয়ারলাইনসের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ২৭টি ইরানি এয়ারলাইনসকে তাদের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

ট্রাম্পের বক্তব্যের ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরুর জন্য কাতারের মাধ্যমে সাতটি শর্ত পাঠায় তেহরান। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মোহসিন রেজাই জানিয়েছেন, ইরানের মূল দাবি তিনটি। সেগুলো হলো—সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা, বিদেশে আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেওয়া এবং নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া। এই শর্তগুলো পূরণ হলেই ইরান নতুন করে আলোচনায় বসতে রাজি বলে জানিয়েছেন তিনি। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়েনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নতুন হামলার আশঙ্কার মধ্যে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একজন মুখপাত্র সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কেন্দ্রগুলো আমাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।

ইত্তেফাক/এনএন