ফিফা আসিয়ান কাপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পুলিশ (পোলরি)। টুর্নামেন্ট চলাকালীন জাকার্তা ও বানদুংয়ে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘অপারেশন গারুডা বাকতি ২০২৬’ চালু করেছে তারা।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাকার্তা মেট্রো পুলিশ আয়োজিত এক মার্চপাস্টের (রোল কল) মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিরাপত্তা অপারেশনের উদ্বোধন করেন পোলরি প্রধানের উপ-সহকারী (অপারেশনস) ইন্সপেক্টর জেনারেল লাকসানা।
‘অপারেশন গারুডা বাকতি ২০২৬’ এর অধীনে ৫৬৪১ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ইন্সপেক্টর জেনারেল লাকসানা বলেন, ‘অপারেশন গারুডা বাকতি’ আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১৬ দিন ধরে পরিচালিত হবে। এই নিরাপত্তা বাহিনীতে ১০২ জন কমান্ড ও স্টাফ সদস্য, জাকার্তা মেট্রো পুলিশের ৩৮৩৪ জন এবং পশ্চিম জাভা পুলিশের ১৭০৫ সদস্য রয়েছেন।’
পোলরি প্রধান জেনারেল লিস্তিও সিগিত প্রাবোয়ার নির্দেশনা পাঠ করে লাকসানা বলেন, টুর্নামেন্ট চলাকালে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এ ফুটবল আসরে অংশ নেওয়া সব খেলোয়াড়, দলের কর্মকর্তা এবং সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্টেডিয়াম এলাকা, আন্তর্জাতিক অতিথিদের আগমন কেন্দ্র, আবাসন সুবিধা, অনুশীলন মাঠ, দলগুলোর যাতায়াতের রুট, সমর্থকদের জমায়েত হওয়ার স্থান, পার্কিং এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো কাভার করবে। এ ছাড়া পরিস্থিতি অনুযায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টহল, ডিজিটাল স্পেস মনিটরিং এবং বোমা ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে বিশেষায়িত ইউনিট মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রথমবারের মতো আয়োজিত ফিফা আসিয়ান কাপ হংকংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজন করছে ইন্দোনেশিয়া। টুর্নামেন্টে আমন্ত্রিত দল হিসেবে খেলবে বাংলাদেশ। গ্রুপ ‘এ’-তে জামাল ভুঁইয়াদের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া।
আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দিয়ে শুরু, ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর এবং ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তিনটি ম্যাচই হবে জাকার্তার ঐতিহাসিক গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে।

