বাগেরহাটে শিশুর বস্তাবন্দি গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:৪৬

বাগেরহাটের চিতলমারী ও মোল্লাহাটে সীমান্তবর্তী এলাকা কচুরিয়ার বরাজের পাশ থেকে বস্তাবন্দি এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির বাড়ি ও পানবরজে আগুন দিয়েছেন। এ সময় সন্দেহভাজন তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া গ্রাম থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মুসলিমা খাতুন কচুড়িয়া গ্রামের ইসলাম শেখের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে কচুড়িয়া গ্রামের একটি পানবরজের পাশে বস্তার মধ্যে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে মোল্লাহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করে।

মরদেহ উদ্ধারের পর শিশুটিকে হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তির বাড়ি ও তার পানবরজে আগুন দেন।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে কী কারণে এবং কারা হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধারের পর ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তির বাড়ি ও একটি পানবরজে আগুন দিয়েছেন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

তিনি আরও জানান, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।

ইত্তেফাক/এমএসআর