প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, এ প্রক্রিয়া আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এরপর কতজন নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন, তা চূড়ান্তভাবে জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, সোমবার পর্যন্ত ৮১৭ জনের নিয়োগপত্র দেওয়া বাকি রয়েছে। তাদের ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য পর্যায়ক্রমে যাচাই করা হচ্ছে।
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জন উত্তীর্ণ হন। তাদের মধ্যে ৫৩০ জন নিজের ইচ্ছায় আবেদন করেননি বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। তাদের কেউ কেউ অন্য চাকরিতে চলে গিয়ে থাকতে পারেন। এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮৫৪ জনের চূড়ান্ত আবেদন পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিয়োগপত্র দেওয়ার সময় দেখা গেছে, অনেক প্রার্থীর ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে। এ কারণে পর্যায়ক্রমে যাচাই-বাছাই করে ওয়েবসাইটে নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হচ্ছে এবং প্রক্রিয়াটির উন্নয়নও করা হচ্ছে।
নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘অপপ্রচার’ শুরু হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মন্ত্রী। বিভ্রান্তি দূর করতে ইতিমধ্যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আ ন ম এহছানুল হক বলেন, যাদের নিয়োগপত্র এখনো দেওয়া হয়নি, তাদের বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং পর্যালোচনা চলছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত কারও ঠিকানা বা ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যেতে পারে। ওই সময়ের পর চূড়ান্ত সংখ্যার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আদৌ জানি না, ফাইনালি ২০ জন হবে, নাকি ৫০ জন হবে, নাকি ১০০ জন।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।
