ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৯ হাজার সেনা ও তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার এক মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর এই পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে আবারও হামলা চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
এদিকে বুধবার ইসরায়েলগামী একটি ফ্লাইটে ফ্লাইদুবাইয়ের এক সহকারী পাইলট তার ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত করে বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সঙ্গে ইরানের কোনো যোগসূত্র আছে কি না, বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এমন যোগসূত্র থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যেসব তথ্য শুনছি, তার ভিত্তিতে বলব-হ্যাঁ। তবে আমরা বিষয়টি এখনো তদন্ত করছি।’
ইরানের সঙ্গে ওই ঘটনার যোগসূত্র প্রমাণিত হলে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘তাদের ওপর খুব কঠোর হামলা হবে, এ নিয়ে চিন্তা করবেন না।’
এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই ঘটনার সন্দেহভাজন ব্যক্তি ‘ইসলামপন্থী উগ্র মতাদর্শে’ প্রভাবিত হয়েছিলেন। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)
