ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তন আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে ৫৪তম সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানান। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেস্ট অব অনার হিসেবে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ইতিমধ্যে সম্মতি দিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাৎকালে উপাচার্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। এ সময় উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক জোরদারে নেওয়াসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে সমাবর্তনে যোগদানের আমন্ত্রণ জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠই নয়, এটি দেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।

রাষ্ট্রপতি শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও বাড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এ ক্ষেত্রে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার তাগিদ দেন তিনি।

উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম, সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

ইত্তেফাক/এমএস