বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা বন্ধের বিষয়ে যেসব নির্দেশনা দিয়েছে লাওস

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩০

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওসে শ্রমবাজার সাময়িকভাবে স্থগিত হওয়ার কারণ খুঁজছে বাংলাদেশ। তবে দেশটির সরকার বলছে, লাওসে বাংলাদেশের শ্রমবাজার খুব বড় না হলেও শ্রমিকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

আর অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে নানা সতর্কতা অবলম্বন করার কথা জানিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, লাওস গত সেপ্টেম্বরেই বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ, ওয়ার্ক পারমিট এবং প্রবেশ ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই স্থগিতাদেশ আগামী ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট চার মাস কার্যকর থাকবে।

একইসঙ্গে, এই সময়ে লাওসে গমনেচ্ছু বাংলাদেশি কর্মীদের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে পাসপোর্ট জমা না দেওয়া এবং কোনো আর্থিক লেনদেন না করার জন্য অনুরোধ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

তবে, নির্ধারিত ওই সময়ের পর কী হবে সেটি জানায়নি মন্ত্রণালয়। কিন্তু ঠিক কী কারণে লাওস এই স্থগিতাদেশ দিয়েছে সেটি উল্লেখ করা হয়নি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বিবিসি বাংলাকে জানান, সুনির্দিষ্ট কোনো কারণে এই স্থগিতাদেশ সেটি লাওস জানায়নি।

তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে বলছি, এখনও আমাদেরকে আপডেট জানায়নি। লাওসে আমাদের দূতাবাস নেই, পাশের দূতাবাসের মাধ্যমে আমরা অলরেডি বলেছি এই বিষয়টি জানার জন্য এবং ওখানে বাজার শ্রমবাজারের প্রেক্ষাপট কী, আমাদের সম্ভাবনা কী, এগুলো জেনে রিপোর্ট করতে ওনাদেরকে বলেছি।’

তবে, নামপ্রকাশ না করার শর্তে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা জানান, লাওসে বিভিন্ন কনস্ট্রাকশন কম্পানিতে মূলত বাংলাদেশি শ্রমিকরা কাজ করেন। অনেক কম্পানিতে কাজের পরিমাণ কমে গেছে। কমে যাওয়ার কারণে তারা হয়তো এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

আপাতত স্থগিত রাখছে, পরে হয়তো আবার ইয়ে করতে পারে।

ইত্তেফাক/পিএস